ফেসবুক থেকে

রেললাইনে বসা ও হাঁটায় সাবধান!

রেললাইনে বসা ও হাঁটায় সাবধান!

প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক মানুষ রেললাইনে কাটা পড়ে মারা যাওয়ার পরও রেললাইনগুলো ব্যবহার হচ্ছে হাঁটার পথ হিসেবে, অথচ এটি যে আইনতঃ নিষিদ্ধ সেই খবরও অনেকেই রাখেন না। রেললাইন দিয়ে যেন চলাফেরা করা মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রেললাইনে কাটা পড়া ছাড়াও সাপের কামড় খাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কম হলেও এ দুর্ঘটনা ইদানিং ঘটছে। অথচ রেললাইনে হাটা ও স্লিপারে বসে আড্ডা দেওয়ার ঘটনা অহরহ ঘটছে। অনেকেই পথের দূরত্ব কমাতে রেল লাইনকে হাঁটার পথ হিসেবে ব্যবহার করছেন। কানে মোবাইল রেখে অসতর্কতার সঙ্গে হাঁটছেন। এর ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। রেল আইনে রেললাইনের দুই পাশে ১০ ফুটের মধ্য দিয়ে মানুষের চলাচল নিষিদ্ধ। এমনকি এর মধ্যে গরু-ছাগল ঢুকে পড়লে সেটিকেও নিলামে বিক্রি করে দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে রেল কর্তৃপক্ষের। রেলে কাটা পড়ে কেউ আহত হলে উল্টো ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধেই মামলা করতে পারে রেলওয়ে।
ওরা মিরসরাইয়ের আলো

ওরা মিরসরাইয়ের আলো

হাসান সাইফ উদ্দীন ::: আগামীর দুর্বার। পড়ালেখা করছেন বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে। মিরসরাইয়ের মাঠ-ঘাটে তাদের বেড়ে ওঠা। এখন স্বপ্ন দেখছেন বিশ্ব জয়ের। হয়ত একদিন জয়ও করবেন। যদি না বাদ সাধে অভাব-অনটন কিংবা আর্থিক দৈন্যতা। জয়ী হওয়ার জন্য তাদের যা কিছু দরকার সবই আছে। উদ্যম, মনোবল, একাকগ্রতা, মা-বাবার আন্তরিক প্রচেষ্টা, সাহস, মেধা সবই। শুধু নেই আর্থিক স্বচ্ছলতা। তারপরও কি থেমে যাবে তাদের স্বপ্নচূড়ায় সিড়ি বেয়ে ওঠা। হয়ত অনেকে পারবেন সে দুর্গম সিড়ি বেয়ে লক্ষে উঠতে। অনেকে আবার থেমে যাবেন মাঝ পথে। স্বপ্ন ভেঙ্গে যাবে কিছু স্বপ্নচারীর। যার দায় আমার-আমাদের- সকলের। ওরাতো আমাদেরই সন্তান। আমাদেরই কেউ না কেউ। ওদের বেড়ে ওঠায় আমাদেরও কিছু দায়বদ্ধতা রয়েছে। ওরা আমাদেরকে মেধার অনন্যতা উপহার দিচ্ছে। যাদের মেধায় একদিন আমরাও আলোকিত হবো। আলোকিত হবে আমাদের এ জনপদ। সমৃদ্ধ হবে মিরসরাই। দেশ-বিদেশে উচ্চ আ
দুর্বার রত্ন হাসান সাইফ উদ্দীন

দুর্বার রত্ন হাসান সাইফ উদ্দীন

আলী হায়দার চৌধুরী ::: সামাজিক সংগঠনগুলো সমাজ বদলের অনন্য হাতিয়ার। সংগঠনগুলো আছে বলেই আজো কোন ভাই কিংবা বোন তার পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাবে তা ভেবে হতাশ হন না। কারণ সেসব ভাই-বোনদের পাশে দাঁড়ায় দুর্বার প্রগতি সংগঠন'র মতো মিরসরাইয়ের প্রায় দেড় শতাধিক সামাজিক সংগঠন। ওইসব সংগঠনের নেপথ্যের কারিগর থাকে ১ কিংবা ২ জন, তাদের অদম্য নেতৃত্বে চলে সংগঠন। তেমনই এক অদম্য নেতৃত্বদানকারীর নাম হাসান মো. সাইফ উদ্দীন। যিনি একাধারে সুবক্তা, কঠোর প্ররিশ্রমী, অনন্য ধারাভাষ্যকার, নব সৃষ্টিশীল চেতনার অধিকারী। এককথায় বহু প্রতিভার ধারক। যিনি স্বল্প সময়ে তার সংগঠনকে সফল নানা কর্মকান্ডের মধ্যদিয়ে পুরো উপজেলায় আলোচিত করে পরিচয় করিয়ে দিলেন। ২০১১ সাল থেকে সংগঠনটিকে বুকে আগলে ধরে তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন, করেছেন ব্যতিক্রমধর্মী নানা কার্য্যক্রম। অনেকগুলো কার্য্যক্রম ইতিপূর্বে প্রাচীণ কোন সংগঠন কখনো করেনিও। তার সফলতার স্বীক
পাকিস্তান-বাংলাদেশের আলাদা হওয়ার দরকার ছিল না : তসলিমা

পাকিস্তান-বাংলাদেশের আলাদা হওয়ার দরকার ছিল না : তসলিমা

মিরসরাইনিউজডটকম ::: ক্রিকেট মাঠের সাবেক 'রাজা' ইমরান খান এবার পাকিস্তানের ক্ষমতার মসনদে বসতে যাচ্ছেন। একজন ক্রিকেট তারকার প্রধানমন্ত্রী বনে যাওয়ার ঘটনা সারা বিশ্বে আলোড়ন তুলেছে। পাকিস্তানের কিংবদন্তি এই ক্রিকেটারের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রাক্কালে নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন বিখ্যাত নারীবাদী লেখিকা তসলিমা নাসরিন। সোশ্যাল সাইট ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তসলিমা ইমরান খানকে নেতিবাচকভাবেই বর্ননা করেছেন। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে মৌলবাদের উত্থান নিয়েও শংকা এবং হতাশা প্রকাশ করেছেন তিনি। তসলিমা লিখেছেন, 'হাসিনা চান মদিনা সনদ অনুযায়ী দেশ চালাতে। পাকিস্তানের ইমরান খানও তাই চান। সপ্তম শতাব্দীতে ফিরতে চান তারা। ইমরান খান তো মুসলিম মৌলবাদি, জিহাদি, তালেবানদের বন্ধু। সেনাবাহিনীরও তিনি পেয়ারের লোক। দেশ চালাবেন সেনারাই। ইমরান শুধু গদিতে বসে চেহারা দেখাবেন। লোকটি অক্সফোর্ডে লেখাপড়া করেছেন। বড় বিশ
শতাব্দীর দীর্ঘ চন্দ্রগ্রহণ আজ

শতাব্দীর দীর্ঘ চন্দ্রগ্রহণ আজ

মিরসরাইনিউজডটকম ::: ভরা পূর্ণিমায় ‘আত্মজা’ চাঁদকে গাঢ় অন্ধকারে ঢেকে দেবে পৃথিবী। মহাজাগতিক এই দৃশ্য, যা চন্দ্রগ্রহণ নামে পরিচিত, তা দেখা যাবে আজ শুক্রবার মধ্যরাতে। একুশ শতকের দীর্ঘস্থায়ী চন্দ্রগ্রহণ এটি। বিরল এই ঘটনা ঘটবে প্রায় পৌনে ছয় ঘণ্টা সময় ধরে। তবে পূর্ণগ্রহণ শুরু হয়ে শেষ হবে ১০৩ মিনিটে। পৃথিবীর অন্যান্য প্রান্তের মতো বাংলাদেশ থেকেও দেখা যাবে এই চন্দ্রগ্রহণ। এমন মহাজাগতিক ঘটনা এই শতাব্দীতে (২০০১ থেকে ২১০০) আর ঘটবে না। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য মতে, বাংলাদেশ সময় শুক্রবার রাত ১১টা ১৩ মিনিট ৬ সেকেন্ড থেকে শনিবার ভোর ৫টা ৩০ মিনিট ২৪ সেকেন্ড পর্যন্ত চন্দ্রগ্রহণের পুরো ঘটনাটি ঘটবে। এর মধ্যে পূর্ণগ্রহণ শুরু হবে রাত ১টা ৩০ মিনিটে; আর পূর্ণগ্রহণ শেষ হবে রাত ৩টা ১৩ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে। আকাশ মেঘমুক্ত থাকলে দেশের সব বিভাগ থেকেই গ্রহণটি পুরোপুরি দেখা যাবে। সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ কক্ষপথে ঘুর
চন্দ্র-সূর্য-পৃথিবী রবে একই সরলরেখায়, হবে দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ

চন্দ্র-সূর্য-পৃথিবী রবে একই সরলরেখায়, হবে দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ

মিরসরাইনিউজডটকম ::: আগামী শুক্রবার অনেকের কাছেই স্মরণীয় হয়ে থাকার মতো। সেদিন বিশ্ববাসী দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণের সাক্ষী হয়ে থাকবে। যা স্থায়ী হবে এক ঘন্টা ৪৫ মিনিট। সিএনএন এর খবরে বলা হয়েছে, সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী ওইদিন একই সরলরেখায় অবস্থান করবে এবং পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে অবস্থান করবে চাঁদ। এছাড়াও বিশ্ববাসী ওইদিন গাঢ় লাল রঙের ব্লু মুন দেখতে পাবে। এই অবস্থা তখনই হয় যখন পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ হয় এবং সূর্যালোকের প্রভাবে চাঁদ লালচে রঙ ধারণ করে। অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি'স রিসার্চ স্কুল অব অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের জ্যোতির্বিজ্ঞানী ব্র্যাড টাকারকে উদ্ধৃত করে সিএনএন বলছে, 'চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী প্রতিবার গ্রহণের সময় একই সরলরেখায় অবস্থান করে না। সে কারণে প্রতিবার আমরা চন্দ্রগ্রহণ দেখতে পাই না।' তিনি আরো বলেন, সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের প্রভাবেই চাঁদ আলোকিত হয়, যা 
মিরসরাইয়ের পাহাড়ি ঝর্ণাগুলো কি অনিরাপদ হয়ে উঠছে?

মিরসরাইয়ের পাহাড়ি ঝর্ণাগুলো কি অনিরাপদ হয়ে উঠছে?

মঈনুল হোসেন টিপু ::: মিরসরাইয়ের পাহাড়ি ঝর্ণাগুলো বর্তমানে এডভেঞ্চার প্রিয় মানুষ বিশেষত তরুণদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়।প্রতিদিন সারা বাংলাদেশ থেকে অসংখ্য মানুষ এ ঝর্ণাগুলো দেখতে আসে।মূলত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে হওয়ায় এবং অনেকগুলো ঝর্ণা পাশাপাশি থাকায় এই ঝর্ণাগুলোতে মানুষ স্বল্প খরচে খুবই তৃপ্তি নিয়ে ভ্রমণ করতে পারে। কিন্তু ঝর্ণাগুলোতে প্রায়ই ছিনতাই, হয়রানির শিকার হচ্ছে অসংখ্য মানুষ।অনিন্দ্য সুন্দর এ ঝর্ণাগুলো দিন দিন ভ্রমণপিপাসুদের জন্য অনিরাপদ হয়ে উঠছে। ২০১৫ সালে আমি "এমেইজিং বাট রিস্কি, সতর্ক কি হচ্ছি"? এই শিরোনামে বেশ কিছু সুপারিশ সহ একটি লিখা ফেসবুকে এবং অনলাইন নিউজে দিয়েছিলাম। আমরা ভুলে যাই, এই ঝর্ণাগুলো আমাদের মিরসরাইকে সবার মাঝে পরিচিত করছে, সহজে ব্র‍্যান্ডিং করছে। তাই এই ঝর্ণাগুলোতে পর্যটকদের নিরাপত্তা বিধানের দায়িত্ব আমাদের স্থানীয় প্রশাসন থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধি এবং
মিরসরাইয়ে এইচএসসির ফলাফল তেমন সুখকর নয়

মিরসরাইয়ে এইচএসসির ফলাফল তেমন সুখকর নয়

মঈনুল হোসেন টিপু ::: মিরসরাইয়ের এইচ এস সি ফলাফলে গত কয়েক বছরে একেবারে নতুন দুটি কলেজ, প্রফেসর কামাল উদ্দীন চৌধুরী কলেজ এবং মহাজনহাট কলেজ খুবই ভালো ফলাফল করছে। এবছর যেখানে চট্টগ্রাম বোর্ডের পাশের হার ৬৫% এর মতো, সেখাণে দুটি কলেজের পাশের হার যথাক্রমে ৯২% এবং ৮৯%।জিপএ -৫ ,৪ জন ৩ জন করে। গত কয়েক বছর ফলাফলের দিক দিয়ে দুটি কলেজের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতা বিদ্যমান এবং এই জিনিসটিকি খুব পজেটিভলি দেখি। লক্ষণীয় বিষয় হলো,এই দুটি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মিরসরাইয়ের দুজন বড় রাজনীতিবিদ, যারা গত নির্বাচনে আওয়ামীলীগ এবং বিএনপি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। দুজন প্রতিষ্ঠাতা রাজনীতিবিদ হলেও দুজনেই স্ব স্ব কলেজের জন্য অন্তপ্রান এবং অবকাঠামোগত দিক এবং সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থায় দুটি কলেজের উন্নতি ভালো পড়ালেখার বড় উদাহরণ। সম্ভবত মহাজনহাট কলেজের নিজস্ব বাসও আছে, প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি কলেজের জন্য এটা অনেক ব
বাংলাদেশে মুসলিমদের দাঁড়াতে হবে নির্যাতিত হিন্দুদের পাশে : তসলিমা

বাংলাদেশে মুসলিমদের দাঁড়াতে হবে নির্যাতিত হিন্দুদের পাশে : তসলিমা

সংখ্যালঘু ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ওপর সাম্প্রদায়িক আক্রমণ, তাদের জায়গা-জমি দখল, ঘর-বাড়ি উচ্ছেদ, খুন-ধর্ষণ-নির্যাতনের মতো ঘটনা বাংলাদেশে অহরহ ঘটে চলছে। এই সমস্যা সমাধানে সম্প্রীতি জাগ্রত করার কোনো বিকল্প নেই। আমেরিকার নিউইয়র্কে বাঙালিদের একটি মিলনমেলার অভিজ্ঞতাকে কেন্দ্র করে হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি নিয়ে কথা বলেছেন প্রখ্যাত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। ফেসবুকে পোস্ট করা তার দীর্ঘ স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো: 'নিউইয়র্কের বাঙালি হিন্দুদের নেমন্তন্ন গ্রহণ করলাম দুদিন আগে। ইউরোপ আমেরিকায় বাঙালি হিন্দু দুই রকমের, পশ্চিমবঙ্গের আর বাংলাদেশের। এই দুই অঞ্চলের হিন্দুদের মধ্যে বন্ধুত্ব কমই হয়। শ্রেণীর তফাতের কারণেই মূলত। পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরা তুলনায় অবস্থাপন্ন, পেশায় ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার প্রফেসর ...। বাংলাদেশের হিন্দুরা অধিকাংশই শ্রমিক শ্রেণীর। বাংলাদেশের হিন্দুরা মিশতে চাইলেও পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরা তাদে
জুলাইয়ে যাদের জন্ম তারা কেমন হন?

জুলাইয়ে যাদের জন্ম তারা কেমন হন?

নিজস্ব প্রতিবেদক ::: যারা এই আর্টিকেল পড়ার জন্যে এসেছেন ধরেই নেয়া যায় তাদের জন্ম জুলাই মাসে। জন্ম মাস কিংবা রাশিফল নিয়ে মানুষের আগ্রহের কমতি নেই। বৈজ্ঞানিক ভিত্তি আছে কি নেই তা নিয়ে আলোচনা এখানে নাই বা হোক। এসব নিয়ে যারা ঘাঁটাঘাটি করেন সেই বিশেষজ্ঞদের চিন্তা-মতামত তুলে ধরা হলো এখানে। এখানকার সবকিছুই গবেষণালব্ধ ফলাফল। বলা হয়, জুলাই মাসে জন্মগ্রহণকারীরা ভীড়ের মধ্যে নিজেদের অনন্য করে তুলে ধরার বৈশিষ্ট্য নিয়েই পৃথিবীতে আসেন। একেবারে নিজস্ব লেন্সের মধ্য দিয়ে জীবনটাকে দেখেন তারা। ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্য সবার নজর কাড়ে। এখানে তাদের সম্পর্কে কিছু চমকপ্রদ তথ্য জেনে নিন। ব্যাপক আশাবাদী  জুলাইয়ে জন্ম নেয়া মানুষগুলো সবকিছুর উজ্জ্বল দিকের দিকেই নজর দেন। হাজারো কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে থেকেও তাদের মুখে আশ্বাসের হাসি থাকে। গবেষণায় বলা হয়, গ্লাসের অর্ধেকটা ভরা দেখতেই পছন্দ করেন তারা। যেকোনো বিষয়ে চরম
error: Content is protected !!