ফেসবুক থেকে

ওস্তাদ স্পিড বাড়ান সামনে স্টুডেন্ট

ওস্তাদ স্পিড বাড়ান সামনে স্টুডেন্ট

নিউজ ডেস্ক ::: রাজধানীর প্রগতি সরণিতে সুপ্রভাত বাসের চাপায় নিহত বিইউপি শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর নিরাপদ সড়কের দাবিতে আবারও কিছু লিফলেট, প্লাকার্ডে ও কার্টুন ভাইরাল হয়েছে। যার মধ্যে একটিতে স্কুলড্রেস পরা এক ছাত্রের হাতে থাকা কাগজে লেখা, ''ওস্তাদ স্পিড বাড়ান সামনে স্টুডেন্ট''। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেউ কেউ আবার মন্তব্য করছেন, ''পড়াশুনা করে যে গাড়ি চাপা পড়ে সে''। এছাড়া 'কয়লার রাস্তা নাকি, রক্তের রাস্তা?', 'নিজের সিরিয়ালের অপেক্ষা করুন' ও 'উই ওয়ান্ট জাস্টিস'সহ আরও বেশ কিছু মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর প্রগতি সরণিতে সুপ্রভাত বাসের চাপায় প্রাণ হারান বিইউপির ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র আবরার। নিয়ম মেনেই আরবার পথচারী পারাপারের জন্য নির্ধারিত স্থান জেব্রা ক্রসিং দিয়ে রাস্তা পার হচ্ছিলেন বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। নিরাপদ সড়কের
উপজেলা পরিষদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন ভাইস চেয়াম্যান প্রার্থী আরিফ

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন ভাইস চেয়াম্যান প্রার্থী আরিফ

মিরসরসরাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালের ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ফেরদৌস হোসেন আরিফ। তিনি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে আজ বিকাল ৪টায় এক স্ট্যাটাসে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো বিষয়টি জানিয়েছেন। নিম্মে তার দেয়া ফেসবুক স্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো। আমার কিছু কথা...   কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি মিরসরাইবাসি, মুজিব আদর্শের সৈনিকদের- যারা অকৃত্রিম ভালবাসা দিয়ে আমাকে ঋণের জালে আবদ্ধ করেছেন। আপনাদের এই ঋণ শোধ করার সামর্থ আমার নেই, শুধু এটাই বলতে পারি যত দিন বেচেঁ থাকবো আপনাদের সাথেই থাকবো।   ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আমার সিদ্ধান্তের জন্য- এই সিদ্ধান্ত কোনো প্রতিশ্রুতি, অনুরোধ বা বিনিময়ের নয়। মিরসরাই আওয়ামীলীগের সুন্দরের জন্য আমি নির্বাচন থেকে সরে এসেছি। একটাকে পরাজয় ভাবার কোনো অবকাশ নেই। কারণ সব পরাজয়ই পরাজয় নয়।   রাজনীতিতে পদ পদবি লাভের জন্য ষড়যন্ত্র করার যে দক্ষতা প্রয়োজন স
যেভাবে ফেসবুক ভিডিও থেকে আয় করবেন

যেভাবে ফেসবুক ভিডিও থেকে আয় করবেন

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক ::: জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। শুধুই কী তাই! এর বাইরে ফেসবুকে নানা উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছেন তরুণ-তরুণীরা। এছাড়াও ভিডিও তৈরি করে ফেসবুকে প্রকাশের মাধ্যমে তৈরি হয়েছে আয়ের নতুন পথ। বর্তমানে বিশ্বের ৩২টি দেশের ব্যবহারকারীরা ফেসবুকে এই সুবিধা পাচ্ছেন। ‘অ্যাড ব্রেকস’ নামে ফেসবুকের এই সুবিধার তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশও। এখন ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট করে আয় করতে পারেন আপনিও। অ্যাড ব্রেকস কী? অ্যাড ব্রেকস এর অর্থ হচ্ছে বিজ্ঞাপন বিরতি। মনে করেন, আপনি ফেসবুকে কোন ভিডিও দেখছেন। ভিডিও এর মাঝে হঠাৎ করে ১০-১৫ সেকেন্ডের একটি বিজ্ঞাপন চলে আসলো। কিংবা ভিডিও এর নিচে একটি অ্যাপস ডাউনলোডের বিজ্ঞাপন দেখাচ্ছে। এই বিজ্ঞাপনদাতা থেকে ফেসবুকের আয়ের ৫৫ ভাগ জমা হবে ভিডিও প্রকাশকারীর অ্যাকাউন্টে। বর্তমানের বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত ভিডিওতে এই সুবিধ
ঘরে ঘরে গ্যাস বোমা !!!

ঘরে ঘরে গ্যাস বোমা !!!

মঈনুল হোসাইন টিপু ::: গ্রামাঞ্চলে খুব সম্ভবত এখন খুব কম ঘরই আছে যেখানে গ্যাস সিলিন্ডার নেই।আগে গ্রামে কাঠ,খড় আর লাকড়ি দিয়ে চুলায় রান্না হতো; এখন কি আর গৃহিনীদের আগুন ধরিয়ে,চুলায় ফু দিয়ে,ধোয়ার কুন্ডলিতে রান্না করার সে সময় আর ধৈর্য আছে? সময় বাঁচানোর জন্য হোক আর ঝামেলা এড়ানোর জন্য হোক কিংবা জরুরি প্রয়োজনে- একটা গ্যাসের চুলা থাকা চাই-ই। এটি যতটানা নিতান্ত প্রয়োজনের তারচেয়ে বেশি এই ধারণার জন্য 'ওর ঘরে তো আছে,আমার ঘরে নাই কেন? ওটায় রান্না করি আর না করি অন্তত শোভা বর্ধনের জন্য হলেও আনা চাই। আমি আবার এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের প্রয়োজনীয়তার বিপক্ষে নই। কিন্তু মুশকিল হলো, ইদানীং গ্রামাঞ্চলে যতগুলো অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটছে কিংবা অগ্নিকান্ডের পরে আগুনের মারাত্মক রুপ ধারণ করছে এবং প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে তার বেশির ভাগের মূল কারণ এ গ্যাস সিলিন্ডার। এমন না যে গ্যাসের চুলোয় রান্না করার আগে আগুন লাগতো
এ মাসেই দেখা যাবে ‘সুপার ব্লাড মুন’, তবে…

এ মাসেই দেখা যাবে ‘সুপার ব্লাড মুন’, তবে…

নিউজ ডেস্ক ::: ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম মাসেই দেখা যাবে ‘সুপার ব্লাড মুন’। বিভিন্ন দেশের সময়ের তারতম্য হিসেব করে জানুয়ারির ২০ অথবা ২১ তারিখে পূর্ণগ্রাসে দৃশ্যমান হবে এই মহাজাগতিক উপগ্রহ। তবে বাংলাদেশ বা এশিয়ার কোনো দেশ থেকে এ দৃশ্য দেখা যাবে না। আমেরিকা, পশ্চিম ইউরোপ আর আফ্রিকা থেকে মহাজাগতিক ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করা যাবে। বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ৪১ মিনিটে ওইদিন পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় ‘সুপার ব্লাড মুন’ দেখা যাবে। ৬২ মিনিট চলবে চন্দ্রগ্রহণ। যদিও সম্পূর্ণ গ্রহণটি চলবে সাড়ে তিন ঘণ্টা সময় ধরে। এরপর ২০২১ সালের ২৬ জুন দেখা যাবে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগহণ। এর আগে ২০১৮ সালের ২৭ জুলাই দেখা গিয়েছিল এই ‘সুপার ব্লাড মুন’। চাঁদ ও সূর্যের সঙ্গে এক সরলরেখায় পৃথিবী চলে গেলে চন্দ্রগ্রহণ হয়। তখন সূর্যের আলো পৃথিবীতে আটকে গিয়ে আর চাঁদে পৌঁছাতে পারে না। ফলে চন্দ্রগ্রহণ হয়। চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ থেকে
দুর্গাপূজা উপলক্ষে গণপূর্ত মন্ত্রীর শুভেচ্ছা

দুর্গাপূজা উপলক্ষে গণপূর্ত মন্ত্রীর শুভেচ্ছা

মিরসরাইনিউজেডেস্ক ::: সোমবার মহা ষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বাণীতে বলেন, “বাঙালি হিন্দুদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। সমাজে অন্যায়, অবিচার, অশুভ ও অসুরশক্তি দমনের মাধ্যমে শান্তিপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ পূজা হয়ে থাকে। আবহমানকাল ধরে এ দেশের হিন্দু সম্প্রদায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশে নানা উপচার ও অনুষ্ঠানাদির মাধ্যমে দুর্গাপূজা পালন করে আসছে। এ উৎসব সর্বজনীন। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রেখে জাতীয় উন্নয়নে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, “দুর্গোৎসব ধর্ম-ব

একজন তামিম ইকবাল 

আজিজ আজহার ::: আমি দেখিনি ৭১, দেখেছি ২০১৮। কিভাবে দেশের জন্য লড়তে হয়। এক হাত দিয়ে লড়ে গেছেন দেশের জন্য। এরাই হলো আসল বীর সৈনিক। এই বাম হাতে অপ্রকাশিত এক গল্প লুকিয়ে আছে। ক্রিকেটের পেশাদারিত্ব ছাড়িয়ে যে দৃশ্য ফুটে উঠে দায়িত্ববোধ আর ভালবাসার আত্মত্যাগের এক গল্প কাহিনী। মূহুর্তে যে গল্প ইতিহাসে রূপ নেয়। এটি কোনো নাটক বা সিনেমার গল্প নয় এটি হলো এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচ। ওই ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা। ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারে সুরঙ্গ লাকমালের বলে আঙ্গুলে চোট পেয়ে মাঠ ছেড়ে যেতে হয় হাসপাতালের বিছানা গুরে আসতে হয় এই ওপেনার তামিম ইকবালকে। বিশ্বমিডিয়া এবং কি ক্রিকেটের সবোচ্চ সংস্থা আইসিসিতেও প্রকাশ পায় এশিয়া কাপ নয় শুধু অন্তত ২মাস মাঠের বাইরে থাকতে হবে তামিম ইকবালকে। কিন্তু সে গল্প কাহিনী মিথ্যা প্রমাণ করে এক রূপ কথার জন্ম দিয়েছেন তিনি। সংগ্রামী এক বীর তামিম ইকবাল। ৪৬.৫ বলে যখন মুস্তাফি
রেললাইনে বসা ও হাঁটায় সাবধান!

রেললাইনে বসা ও হাঁটায় সাবধান!

প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক মানুষ রেললাইনে কাটা পড়ে মারা যাওয়ার পরও রেললাইনগুলো ব্যবহার হচ্ছে হাঁটার পথ হিসেবে, অথচ এটি যে আইনতঃ নিষিদ্ধ সেই খবরও অনেকেই রাখেন না। রেললাইন দিয়ে যেন চলাফেরা করা মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রেললাইনে কাটা পড়া ছাড়াও সাপের কামড় খাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কম হলেও এ দুর্ঘটনা ইদানিং ঘটছে। অথচ রেললাইনে হাটা ও স্লিপারে বসে আড্ডা দেওয়ার ঘটনা অহরহ ঘটছে। অনেকেই পথের দূরত্ব কমাতে রেল লাইনকে হাঁটার পথ হিসেবে ব্যবহার করছেন। কানে মোবাইল রেখে অসতর্কতার সঙ্গে হাঁটছেন। এর ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। রেল আইনে রেললাইনের দুই পাশে ১০ ফুটের মধ্য দিয়ে মানুষের চলাচল নিষিদ্ধ। এমনকি এর মধ্যে গরু-ছাগল ঢুকে পড়লে সেটিকেও নিলামে বিক্রি করে দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে রেল কর্তৃপক্ষের। রেলে কাটা পড়ে কেউ আহত হলে উল্টো ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধেই মামলা করতে পারে রেলওয়ে।
ওরা মিরসরাইয়ের আলো

ওরা মিরসরাইয়ের আলো

হাসান সাইফ উদ্দীন ::: আগামীর দুর্বার। পড়ালেখা করছেন বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে। মিরসরাইয়ের মাঠ-ঘাটে তাদের বেড়ে ওঠা। এখন স্বপ্ন দেখছেন বিশ্ব জয়ের। হয়ত একদিন জয়ও করবেন। যদি না বাদ সাধে অভাব-অনটন কিংবা আর্থিক দৈন্যতা। জয়ী হওয়ার জন্য তাদের যা কিছু দরকার সবই আছে। উদ্যম, মনোবল, একাকগ্রতা, মা-বাবার আন্তরিক প্রচেষ্টা, সাহস, মেধা সবই। শুধু নেই আর্থিক স্বচ্ছলতা। তারপরও কি থেমে যাবে তাদের স্বপ্নচূড়ায় সিড়ি বেয়ে ওঠা। হয়ত অনেকে পারবেন সে দুর্গম সিড়ি বেয়ে লক্ষে উঠতে। অনেকে আবার থেমে যাবেন মাঝ পথে। স্বপ্ন ভেঙ্গে যাবে কিছু স্বপ্নচারীর। যার দায় আমার-আমাদের- সকলের। ওরাতো আমাদেরই সন্তান। আমাদেরই কেউ না কেউ। ওদের বেড়ে ওঠায় আমাদেরও কিছু দায়বদ্ধতা রয়েছে। ওরা আমাদেরকে মেধার অনন্যতা উপহার দিচ্ছে। যাদের মেধায় একদিন আমরাও আলোকিত হবো। আলোকিত হবে আমাদের এ জনপদ। সমৃদ্ধ হবে মিরসরাই। দেশ-বিদেশে উচ্চ আ
দুর্বার রত্ন হাসান সাইফ উদ্দীন

দুর্বার রত্ন হাসান সাইফ উদ্দীন

আলী হায়দার চৌধুরী ::: সামাজিক সংগঠনগুলো সমাজ বদলের অনন্য হাতিয়ার। সংগঠনগুলো আছে বলেই আজো কোন ভাই কিংবা বোন তার পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাবে তা ভেবে হতাশ হন না। কারণ সেসব ভাই-বোনদের পাশে দাঁড়ায় দুর্বার প্রগতি সংগঠন'র মতো মিরসরাইয়ের প্রায় দেড় শতাধিক সামাজিক সংগঠন। ওইসব সংগঠনের নেপথ্যের কারিগর থাকে ১ কিংবা ২ জন, তাদের অদম্য নেতৃত্বে চলে সংগঠন। তেমনই এক অদম্য নেতৃত্বদানকারীর নাম হাসান মো. সাইফ উদ্দীন। যিনি একাধারে সুবক্তা, কঠোর প্ররিশ্রমী, অনন্য ধারাভাষ্যকার, নব সৃষ্টিশীল চেতনার অধিকারী। এককথায় বহু প্রতিভার ধারক। যিনি স্বল্প সময়ে তার সংগঠনকে সফল নানা কর্মকান্ডের মধ্যদিয়ে পুরো উপজেলায় আলোচিত করে পরিচয় করিয়ে দিলেন। ২০১১ সাল থেকে সংগঠনটিকে বুকে আগলে ধরে তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন, করেছেন ব্যতিক্রমধর্মী নানা কার্য্যক্রম। অনেকগুলো কার্য্যক্রম ইতিপূর্বে প্রাচীণ কোন সংগঠন কখনো করেনিও। তার সফলতার স্বীক
error: Content is protected !!