ভ্রমন কাহিনী

সন্ধ্যা কাটানোর সেরা জায়গা খেজুরতলা

সন্ধ্যা কাটানোর সেরা জায়গা খেজুরতলা

ভ্রমণ ডেস্ক ::: পতেঙ্গা আর নেভাল, এ দুইয়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে আপনাকে যেতে হবে খেজুরতলা সৈকতে। নামটা অনেকের কাছে অপরিচিত। তবে বন্দর নগরী চট্টগ্রামবাসীর কাছে বেশ জনপ্রিয় একটি জায়গা এটি। জেলার আকর্ষণীয় যে কয়েকটি সমুদ্র সৈকত রয়েছে তারমধ্যে খেজুরতলা অন্যতম। খেজুরতলা সন্ধ্যা কাটানোর জন্য ভালো জায়গা। এ সময় সাগরের ঢেউয়ের তীরে আছড়ে পড়ার শব্দ আর বাতাসের হু-হু আওয়াজ ছাড়া আর কোনো কোলাহলই আপনাকে ছুঁতে পারবেনা। সাগরজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা শত শত জেলে নৌকার টিমটিমে আলো আর দূর সমুদ্রে স্থবির জাহাজগুলোর সোডিয়াম আলো আপনাকে নিয়ে যাবে এক অন্য ভুবনে। ভোরে ও সন্ধ্যায় ভিন্ন ভিন্ন রূপে অপরূপ হয়ে উঠে খেজুরতলা বীচ। জায়গাটিতে দাঁড়িয়েই একইসঙ্গে পতেঙ্গা আর নেভালের মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। এখানকার বাঁধের উপর বসে সমুদ্রের বিশালতা দেখে মন জুড়িয়ে যাবে যে কারো। সমুদ্রের তীর ঘেঁষে হেঁটে যেতে যেতে অব
ঘুরে আসুন সীতাকুণ্ডের সুপ্তধারা ঝর্ণায়

ঘুরে আসুন সীতাকুণ্ডের সুপ্তধারা ঝর্ণায়

ভ্রমন ডেস্ক ::: চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলায় অবস্থিত সুপ্তধারা ঝর্ণা। চন্দ্রনাথ রির্জাভ ফরেস্ট ব্লকের চিরসবুজ বনাঞ্চল সমৃদ্ধ সীতাকুণ্ড ইকোপার্কে ঝর্ণাটি অবস্থিত। ইকোপার্কটি চট্টগ্রাম শহর থেকে ৩৫ কি.মি. উত্তরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এবং রেলপথের পূর্ব পাশে অবস্থিত। তবে বর্ষা মৌসুম ছাড়া অন্যান্য মৌসুমে এই ঝর্ণাটির পানি কম থাকে। বর্ষাকালে ঝর্ণাটির সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শত শত দর্শনার্থীরা সীতাকুণ্ড ইকোপার্কে এসে ভিড় করেন। কিভাবে যাবেন: সড়ক পথে ঢাকা থেকে সীতাকুন্ড ইকোপার্কে আসতে এস. আলম, সৌদিয়া, গ্রীন লাইন, সিল্ক লাইন, সোহাগ, বাগদাদ এক্সপ্রেস সহ বিভিন্ন পরিবহনের এসি ও নন-এসি বাস আছে। চট্টগ্রাম পর্যন্ত আসলে সীতাকুন্ড বাস স্টপেজ থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে ফকিরহাটে বাস থেকে নামতে হবে। চট্টগ্রাম শহর থেকে সীতাকুণ্ড ইকোপার্কের দূরত্ব মাত্র ৩৫ কিলোমিটার
ঘুরে আসুন ফেনীর কাজীরবাগ ইকোপার্ক

ঘুরে আসুন ফেনীর কাজীরবাগ ইকোপার্ক

সাহিদা সাম্য লীনা ::: মফস্বল শহরে বিনোদন বলতে ৪-৫ বছর আগেও ভালো কোনো স্পট আশা করা যেত না। সবাই ছুটত ঢাকা-চিটাগং। বিত্তবানরা ছুটেন দেশের বাইরে- নেপাল, ভারত, ভুটান, থাইল্যান্ড। এখন গ্লোবালাইজেশনের সময়ে একটা পরিবর্তন এসেছে সর্বত্র। জেলা শহর ফেনীর কাজীরবাগ ইউনিয়নে এ বছরই একটি বিনোদন স্পট তৈরি হয়েছে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের অর্থায়নে। নাম দেওয়া হয়েছে কাজীরবাগ ইকোপার্ক। এর বাস্তবায়ন সময় ছিল ডিসেম্বর ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত। ইকোপার্কটি জেলার সামাজিক বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে গড়ে তোলা হয়েছে। শহর থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে সুনসান পরিবেশে আনুষ্ঠানিকভাবে গত ১৩ আগস্ট উদ্বোধনের পর সর্বসাধারণ ছুটে এসেছেন ক্ষণিকের প্রাণের স্পন্দন ও অবসর নিতে। যান্ত্রিক কোলাহল ফেলে ও বিভিন্ন ছুটির দিন পরিবার নিয়ে উপভোগের তেমন কোনো স্থান ছিল না। জেলাতে বসবাসকারী ও চাকরির
মহামায়া লেক: পাহাড়, লেক ও ঝরনার দারুণ প্যাকেজ

মহামায়া লেক: পাহাড়, লেক ও ঝরনার দারুণ প্যাকেজ

নিজস্ব প্রতিবেদক ::: ছোট-বড় পাহাড়ের মাঝখানে লেক। সেখানে একটি ঝরনাও রয়েছে। এ যেন লেক, পাহাড় ও ঝরনার দারুণ এক প্যাকেজ! বলছিলাম মহামায়া লেকের কথা! চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের এই লেক যেন এক মায়াজাল, একবার যিনি আসবেন বারবার আসতে চাইবেন সেখানে। নৈসর্গিক সৌন্দর্যের এক অপূর্ব লীলাভূমি পুরো এলাকাটি। চমৎকার এই লেকটি ১১ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে আছে। আমাদের ফেলে আসা তপ্ত দুপুরের শেষভাগে এই লেকটি হয়ে উঠেছিল চোখ এবং মনে প্রশান্তির বাহক। ভ্যাপসা গরমেও এই লেকের পানি বেশ টলমলে ও শীতল। পুরো লেক জুড়েই ছড়িয়ে আছে অসংখ্য ছোট-বড় পাহাড়, পাহাড়ি গুহা এবং ঝরনা। এখানে কায়াকিং করার দারুণ ব্যবস্থা রয়েছে। প্যাডেল নৌকাতেও নিজেদের মতো করে ঘুরতে পারবেন। পাশাপাশি ছোট, বড় নানা আকৃতির নৌকাতেও ঘুরতে পারবেন লেকে। জলের কাছাকাছি এসে এই লেকের সৌন্দর্য ভালোভাবেই টের পাওয়া যায়। এই লেকটির নাম ‘মহামায়া’
সীতাকুণ্ডের ইকোপার্ক ও চন্দ্রনাথ পাহাড় ভ্রমণ

সীতাকুণ্ডের ইকোপার্ক ও চন্দ্রনাথ পাহাড় ভ্রমণ

আজহার মাহমুদ ::: যারা প্রকৃতি পছন্দ করেন, তারা সবসময় প্রকৃতির পেছনেই পড়ে থাকেন। আমারও তেমন ইচ্ছে করে। তবে কাজ আর সময়ের জন্য সবসময় সেটা পারি না। তবে যখনই সময় পাই; তখনই সেটা কাজে লাগাই। ঈদের লম্বা ছুটিতে চারদিকে বেড়াচ্ছি; তবুও মনে হচ্ছে যেন আনন্দ নেই। দূরে কোথাও যাবো। পাহাড়, ঝরনা আর প্রকৃতির সাথে মিশে যাবো। বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ হলো। মাত্র তিন বন্ধু রাজি হলো। যাবো সীতাকুণ্ড। সীতাকুণ্ডে যাওয়ার মতো দুটি স্থান রয়েছে। একটি ইকোপার্ক, আরেকটি চন্দ্রনাথ মন্দির। ইকোপার্কে রয়েছে সহস্রধারা এবং সুপ্তধারা নামে দুটি ঝরনা। আর চন্দ্রনাথ মন্দির দেখতে হলে প্রায় ১২০০ ফুট উপরে চন্দ্রনাথ পাহাড়ের চূড়ায় যেতে হবে। ঠিক করলাম, প্রথমে ইকোপার্কে যাবো। কারণ ঝরনায় মন হারাতে আমার বেশ লাগে। ভোর ৭টায় চট্টগ্রামের এ কে খান থেকে বাসে উঠলাম। যেতে যেতে আধা ঘণ্টা লাগলো। ৩০ টাকা দিয়ে ইকোপার্কের গেটের সামনে বাস থেকে নামলা
অপরূপ সৌন্দর্য দেখতে খৈয়াছড়া ঝরনায়

অপরূপ সৌন্দর্য দেখতে খৈয়াছড়া ঝরনায়

আজহার মাহমুদ ::: ছুটির দিন। কার না মন চায় বেড়াতে? তাই বন্ধুরা ঠিক করলাম খৈয়াছড়া ঝরনা দেখতে যাবো। যে-ই ভাবা; সেই কাজ। সবাই মিলে গাড়ি ঠিক করলাম। চট্টগ্রামের এ কে খান থেকে নোয়াখালীগামী একটি বাসে উঠলাম। এক ঘণ্টার আগেই আমরা পৌঁছলাম খৈয়াছড়া যাওয়ার মূল রাস্তায়। এটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে পূর্বদিকে। মূল সড়ক থেকে পূর্ব দিকে প্রায় অনেক পথ যেতে হবে। রাস্তার পাশেই কিছু সিএনজি আছে। তারা অর্ধেক রাস্তা পর্যন্ত যায়। প্রতিজন ভাড়া ১৫ টাকা। আমরাও অর্ধেক পথ গাড়িতে করে গেলাম। গাড়ি থেকে নামতেই দেখি কিছু লোক ছোট ছোট বাঁশ বিক্রি করছে। যারাই ঝরনার দিকে যাচ্ছে সবার হাতেই বাঁশ। আমরাও পাঁচ টাকা দিয়ে কিনে নিলাম বাঁশ। এই বাঁশ ছাড়া আপনি হাঁটতে পারবেন না। যত ভেতরে যাবেন; তত গভীর কর্দমাক্ত মাটি। সেইসাথে ঝরনার পানির স্রোত। সব মিলিয়ে আপনার ভারসাম্য ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। তাই খৈয়াছড়
error: Content is protected !!