নির্বাচিত কলাম

করোনাভাইরাস কীভাবে এলো?

করোনাভাইরাস কীভাবে এলো?

বিশেষ প্রতিবেদক ::: করোনাভাইরাস একটি সংক্রামক জীবাণু। যা এর আগে কোনো মানুষের মধ্যে ছড়ায়নি। ভাইরাসটির অপর নাম ‘২০১৯-এনসিওভি’। এর বিভিন্ন রকম প্রজাতি রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ছয়টি মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে। তবে নতুন ধরনের ভাইরাসের কারণে এখন সংখ্যা হবে সাতটি। জানা যায়, ২০০২ সাল থেকে চীনে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া সার্স নামে ভাইরাসের আক্রমণে ৭৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ৮০৯৮ জন হয়েছিলেন সংক্রমিত। সেটিও ছিল এক ধরনের করোনাভাইরাস। অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে, করোনাভাইরাস কোন প্রাণি থেকে ছড়িয়েছে? কেননা একবার ভাইরাসের উৎস শনাক্ত করতে পারলে রোগটি মোকাবেলা করা অনেক সহজ। সূত্র জানায়, করোনাভাইরাসের সঙ্গে সম্পর্ক আছে চীনের উহানের দক্ষিণ সমুদ্রের খাবারের পাইকারি বাজারের সঙ্গে। এছাড়াও বেশ কিছু সামুদ্রিক প্রাণি থেকে করোনাভাইরাস ছড়াতে পারে। যেমন- বেলুগা তিমি। তবে চীনের ওই পাইকারি বাজারে অনেক জীবন্
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপবৃত্তি প্রদানে সাধারণ জনগণের জ্ঞাতব্য বিষয় সমূহ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপবৃত্তি প্রদানে সাধারণ জনগণের জ্ঞাতব্য বিষয় সমূহ

গোলাম রহমান চৌধুরী, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মিরসরাই ::: প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রদান প্রকল্প দেশব্যাপী প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের ছাত্র-ছাত্রীদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের এক ইতিবাচক এবং যুগান্তকারী কর্মসূচি। প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প (২য় পর্যায়) ‘দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সন্তানদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংযুক্ত প্রাথমিক স্তরে ছাত্রছাত্রীর ভর্তির হার বৃদ্ধি, উপস্থিতি বৃদ্ধি ঝরে পড়ার হার রোধকরণ, শিক্ষা চক্রের সমাপ্তির হার বৃদ্ধিকরণ, শিশুশ্রম রোধ ও দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিতকরণ এবং প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। এ প্রকল্পের আওতায় দেশের সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা সহ সকল ইউনিয়নের প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়
মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন : মীরসরাই পরিক্রমা

মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন : মীরসরাই পরিক্রমা

গোলাম রহমান চৌধুরী, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মিরসরাই ::: মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণ বর্তমান শিক্ষাবান্ধব সরকার কর্তৃক গৃহীত অন্যতম চ্যালেঞ্জ। ঝউএ, ২০৪১ সালের রূপকল্প বাস্তবায়নে মান সম্মত শিক্ষা বাস্তবায়ন এবং শিক্ষা সহায়তা একটি উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম। বিদ্যালয়ে শিশু বান্ধব শিখন পরিবেশ :মীরসরাই উপজেলা ১৪/০৭/২০১৪ ইং তারিখে উপজেলা শিক্ষা অফিসার হিসাবে যোগদান করার পর থেকে বিদ্যালয়ের শিশুবান্ধব শিখন পরিবেশ গড়ে তোলার স্বপ্ন লালন করছিলাম এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিকক্ষ ডেকোরেশন করার জন্য নির্দেশনা ও ঝখওচ এর বরাদ্দ পাওয়ায় কাজটি খুবই সহজ হয়ে গেল। এই বিষয়ে শিক্ষকবৃন্দেকে যথাযথ নির্দেশনা প্রদান এবং মোটিভেটেড করে মীরসরাইয়ের সার্বিক শিখন পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে এবং সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক নিয়মিত তদারকি, পরিদর্শন এবং নির্দেশনা মোতাবেক বিষয়টি চলমান রয়েছে। এতে শিশুরা আনন্দচিত্তে
হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ ঐতিহ্য ঢেঁকি

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ ঐতিহ্য ঢেঁকি

মিরসরাইনিউজ ডেস্ক ::: ‘ধান ভানি রে, ঢেঁকিতে পার দিয়া।/ ঢেঁকি নাচে আমি নাচি, হেলিয়া দুলিয়া।/ ধান ভানি রে।’ গ্রামবাংলার তরুণী-নববধূ, কৃষাণীদের কণ্ঠে এ রকম গান এখন আর শোনা যায় না। বিভিন্ন ধরনের যন্ত্র আবিষ্কারের সাথে সাথে সেসব পুরোনো ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে। কালের বিবর্তনে ঢেঁকি এখন শুধু ঐতিহ্যের স্মৃতি বহন করে। দিন দিন ঢেঁকি শিল্প বিলুপ্ত হলেও একে সংরক্ষণের কোন উদ্যোগ নেই। আবহমান বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি আগের মতো আর চোখে পড়ে না। একসময় ঢেঁকি ছিল গ্রামীণ জনপদে চাল ও চালের গুঁড়া বা আটা তৈরির একমাত্র মাধ্যম। অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে কৃষক ধান কাটার সঙ্গে সঙ্গে কৃষাণীদের ঘরে ধান থেকে নতুন চাল ও চালের গুঁড়া করার ধুম পড়ে যেত। সে চাল দিয়ে পিঠা-পুলি, ফিরনি, পায়েস তৈরি করা হতো। এছাড়াও নবান্ন উৎসব, বিয়ে, ঈদ ও পূজায় ঢেঁকিতে ধান ভেনে আটা তৈরি করা হতো। তখন বধূরা ঢেঁকিতে কাজ করতো রাত থেকে ভোর পর্যন্ত। ঢেঁকিছ
হারিয়ে যাচ্ছে শিশুর আনন্দময় শৈশব

হারিয়ে যাচ্ছে শিশুর আনন্দময় শৈশব

মিরসরাইনিউজ ডেস্ক ::: প্রাথমিকের সমাপনী পরীক্ষা শিশুদের আনন্দময় শৈশব কেড়ে নিচ্ছে। এই পরীক্ষা শিশুদের জন্য একটি মানসিক চাপ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, এ বয়সে তাদেরকে জিপিএ-৫-এর অসুস্থ প্রতিযোগিতায় নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে সমাপনী পরীক্ষার মাধ্যমে। এটা মেধা বিকাশের কোনো মাধ্যম হতে পারে না। বরং শিক্ষার্থীরা যে সময়ে খেলাধুলা করার কথা ছিল সে সময়ে তাকে গাইড মুখস্থ কিংবা প্রাইভেট মাস্টারের কাছে বসে থাকতে হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, উন্নত বিশ্বে এ জাতীয় কোনো পরীক্ষা হয় না। শিশুদের মেধার ক্রমবিকাশে এটি বড় বাধা। এ সময় একজন শিশুর যে পরিমাণ বিনোদন, খেলাধুলা ও আনন্দ দরকার, এ পদ্ধতির কারণে সেটি অনেকটা ম্লান হয়ে যাচ্ছে। সাবেক এ উপাচার্য শিক্ষার্থীদের যোগ্যতার মাপকাঠি নির্ণয়ে বার্ষিক পরীক্ষাকে সামনে আনেন। তিনি বলেন, সব শিক্ষার্
আশরাফুল ভিক্ষুক না নষ্ট সুশীল সমাজ

আশরাফুল ভিক্ষুক না নষ্ট সুশীল সমাজ

আশরাফুলের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ এর চানপুর এলাকায় ওর ভাষ্যমতে। থাকে বারইয়ারহাট আল-আমিন হোটেল এর পেছনে শাহ আলম হাজ্বীর ভাড়া বাসায়। বয়স ৭ কিংবা ৮ বছর। সকালে ঘুম থেকে উঠেই প্লাস্টিক বোতল এসব খুঁজতেই বেড়িয়ে পরে।বাবলুর ভাঙ্গারি দোকানে সাদা বোতল প্রতি কেজি ২০ টাকা, টাইগারের বোতল ১০ টাকা, লিচুর বোতল ৫০ টাকা দরে বিক্রি করে আশরাফুল। এসব আগে নিজের ঘরে জমিয়ে তারপর বিক্রির কাজ করে। মা কাজ করে ডেকোরেশনেনে বিয়ে কিংবা কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে। ছোট একটা ভাই আছে নাম সোহাগ।বয়স ৩ বছর। বেশ সাবলীল ভাষায় আমার প্রশ্নের উত্তর দিয়ে যাচ্ছিলো। ও আচ্ছা আশরাফুলের বাবা নেই। বছর তিনেক আগে স্ট্রোক করে মারা গেছেন তিনি। মূলত বাবার সূত্রে আশরাফুলদের মিরসরাইয়ে যাত্রা। বাবা বারইয়ারহাট পৌরসভায় কাজ করতো। সেই সুবাদে এখানে ভাড়া নিয়ে থাকতেন। কিন্তু বাবা এখন তাদের মাঝে নেই। জীবন সংগ্রামের স্থান মিরসরাইকে বেছে নিলেন তারা। ঈদে জামা ন
রাজনীতির ভালো মানুষ ‘ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন’

রাজনীতির ভালো মানুষ ‘ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন’

এনায়েত হোসেন মিঠু::: জীবন যখন সুদীর্ঘ পথ পরিক্রমা। এ পরিক্রমায় কিছু কিছু মানুষ নিজের কর্মগুনে খ্যাতির চূড়ায় আরোহন করেন। নিজের সততা, সাহস আর বুদ্ধিমত্মা দিয়ে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিতে পরিণত হন। সেবা ও ত্যাগের মহিমায় নিজেকে উজাড় করে দিয়ে একজন সমাজহৈতিষি মানুষে রূপান্তর হন। ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি তাদেরই একজন। যিনি তাঁর দীর্ঘ জীবনে দেশ, মানুষ আর আদর্শের প্রতি অবিচল থেকেছেন। কখনো প্রশ্রয় দেননি শঠতা, প্রতারণা আর ভন্ডামীকে। আশ্রয় দেননি অন্যায়কারী, সন্ত্রাসী আর দেশদ্রোহীদের। সবসময় নিজগুনে ভালোবেসে গেছেন আদর্শ আর মহানুভবতাকে। মহান এ মানুষটির জীবনের সংক্ষিপ্ত রূপ তুলে ধরতে আমার এ লেখা। তথ্য বিভ্রাট কিংবা অজানা ভুলের জন্য প্রারম্ভেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। ছয় দফা দাবি নিয়ে তদানিন্তন পশ্চিম পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে যখন সমগ্র পূর্ব পাকিস্তান উত্তাল ঠিক তখনি লাহোর ইসলামীয়া কলেজের ছাত্র ইঞ্জ
খালেদা জিয়ার ‘মাইল্ড স্ট্রোক’ এবং বিএনপির ভারতযাত্রা

খালেদা জিয়ার ‘মাইল্ড স্ট্রোক’ এবং বিএনপির ভারতযাত্রা

বিভুরঞ্জন সরকার ::: রাজনীতির ময়দানে খুব সক্রিয় না থাকলেও ব্যাপকভাবেই আলোচনায় আছে বিএনপি। সরকারের সঙ্গে, সরকার দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় পেরে না ওঠে বিএনপি এখন অন্য কৌশল নিয়ে অগ্রসর হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। বিএনপি চায় সরকারকে দুর্বল করতে, জনবিচ্ছিন্ন প্রমাণ করতে। আর, সরকার চাইছে বিএনপিকে অকার্যকর করতে, মানুষের মন থেকে বিএনপির নাম মুছে দিতে। কিন্তু বিএনপির কৌশল হলো, ‘...তবু আমারে দেবো না ভুলিতে' । বিএনপি সংসদে নেই। রাজপথে নেই, আন্দোলনে নেই। বিএনপি আছে নয়াপল্টনে, গুলশানে আর প্রেসক্লাবে। আছে গণমাধ্যমে, এমনকি আওয়ামী লীগ নেতাদের মুখে মুখেও বিএনপি আছে, এবং বেশ ভালোভাবেই আছে। বিএনপি সম্ভবত এভাবে থাকারই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কাজের কাজ কিছু না করেও আলোচনায় থাকার যেসব উপায় দলটি বের করছে, কৌশল হিসেবে তা খারাপ নয়। সম্প্রতি বিএনপি আলোচনায় আছে তিন বিষয়ে – ১. কারাগারে দলীয় প্রধান খালেদা জিয়া
সত্তর দশকের গ্রামের রোজা ও ঈদ

সত্তর দশকের গ্রামের রোজা ও ঈদ

শাহ আলম নিপু ::: ঈদ মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান। বিশেষ করে ঈদ-উল ফিতর বা রমজানের ঈদ। দীর্ঘ ৩০ দিন সিয়াম সাধনার পর আসে এ পবিত্র ঈদ। বলা যায় এ ঈদের মানসিক প্রস্তুুতি শুরু হয় সে প্রথম রমজান থেকেই। বড়রা পুরো রমজান মাসে রোজা রেখে আখেরাতে তার সওয়াবের পাল্লা ভারী করার জন্য যথাসম্ভব নামাজ-দোয়া করে, এবাদতে ব্যস্ত থাকেন পুরো মাস। পাশাপাশি ছোটরাও চেষ্টা করে তার আনন্দের ঈদকে অর্থবহ ও নিজের সওয়াবের পাল্লা ভারী করতে। অতি অল্প বয়স থেকে ছোটরাও চেষ্টা করে রোজা রাখতে। প্রথম বছর অনন্ত প্রথম রোজাটা যেন রাখা যায়। তারপরের বছর থেকে প্রথম, সাতাশ এবং শেষ রোজা। ক্রমান্বয়ে যোগ হয় শুক্রবারের রোজাও। পরবর্তীতে ছোটদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হয় কে কয়টা রোজা রাখতে পারে তা নিয়ে। ঈদের দিন সকালে চলে নিজেদের মধ্যে তার হিসেব নিকেশ। বাবা মারাও সহযোগীতা করেন ছোটদের রোজা রাখার এ প্রতিযোগীতাকে। এভাবে একসময় তারা পুরো রোজার মাস
তাদের ঈদ আনন্দ ফুটপাতে

তাদের ঈদ আনন্দ ফুটপাতে

মুুহাম্মদ দিদারুল আলম ::: এক. প্রতিদিনই অন্যের জমিতে কামলা দেওয়া কিংবা ভ্যানগাড়ী ঠেলা অথবা রিকসার প্যাডেল ঘুরানোই তাদের পেশা। অনেক কষ্টে সংসার চালাতে হয়। তারপরেও সংসারে সদস্য মা বাবা স্ত্রী সন্তানসহ সাত আটজনে গিয়ে ঠেকে। প্রত্যেকই তার আয়ের ওপর নির্ভর করে দুমুঠো খেয়ে বেঁচে আছে। জীবন চক্রের নিয়মে জীবন চলে, তারই মধ্যে চলে আসলো রমজান মাস। রমজান মাসে যদিও কোন কোন শ্রমিকের কাজ কাম কম তার পরেও খরচটাও একটু বেশি মনে হয়। রমজান হতে না হতেই এসে পড়ে ঈদ। মাথায় পড়ে বাজ, চোখে মুখে কষ্টের চাপ। চিন্তা যদিও মনে মনে করে বুকে আশা ঈদের দিন বাবা মা স্ত্রী সন্তানদের কিছু নতুন পোশাক কিনে দেওয়ার। তাই কেউ কেউ প্রতিদিন কাজ করতো আর সেই মজুরির টাকা সংসার খরচ করে কিছু রেখে দিতো। দুই. ঈদকে সামনে রেখে সন্তানদের ঈদ পোশাক কেনার জন্য প্রায় সময় বিভিন্ন দোকানে ঘুরা ঘুরি করতো করিম মিয়া। কিন্তু বড় বড় দোকানে অনেক সুন্দর
error: Content is protected !!