অনুসন্ধান

শিশুপার্ক: চোখ বুজে বসে থাকা ছাড়া কোনো উপায় নেই

শিশুপার্ক: চোখ বুজে বসে থাকা ছাড়া কোনো উপায় নেই

বিশেষ প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম ::: নগরের শিশুদের বিনোদনের ব্যবস্থা তেমন একটা নেই এ কথা মোটাদাগে বলাই যায়। শিশুপার্ক যেগুলো আছে সেগুলোতে ছোটদের চেয়ে বড়দের আনাগোনাই বেশি। গুটিকতেক লোকজন পুরো পরিবার নিয়ে শিশুপার্কে গেলেও তাদের বিব্রতই হতে হয়। কারণ পার্কগুলোর চারদিকে অশ্লীলতার মেলা। ছোট হোক বড় হোক দেশের প্রতিটা শহরের শিশুপার্কেরই এমন অবস্থা। প্রতিটি শিশুপার্ক দর্শনার্থীদের জন্য আকর্ষণীয় করে সাজানো হলেও বর্তমানে পার্কে গিয়ে চোখ মেলে দেখার পরিবর্তে চোখ বুঁজে বসে থাকা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না। নগরীর কাজির দেউরি শিশুপার্ক ঘুরে দেখা যায়, এখানে ঘুরতে আসাদের মধ্যে নেই কোন শিশু কিংবা শিশুকে সাথে নিয়ে আসা কোনো পরিবার। আছে শুধু স্কুল-কলেজ ফাঁকি দিয়ে আসা অপ্রাপ্তবয়স্ক কিছু যুবক-যুবতী আর পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়া কিছু নারী-পুরুষ। তারা এখানে এসে শিশুদের মতো কিংবা চিত্ত-বিনোদন উপযোগী আচরণ করছে না, প্রক
চকবাজারে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ‘আলামত মেলেনি’

চকবাজারে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ‘আলামত মেলেনি’

নিউজ ডেস্ক ::: চকবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড শুরুর আগে একটি পিকআপ ভ্যানের গাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়েছিল বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকে দাবি করলেও সে রকম কোনো আলামত তদন্তকারীরা এখনও পাননি। বরং বিপুল পরিমাণ রাসায়নিকের মজুদ থাকা ওয়াহেদ ম্যানশনের দেয়াল যেভাবে ভেঙে বাইরে ছিটকে গেছে, তাতে বিস্ফোরণ আর আগুনের উৎস ওই ভবন বলেই তাদের ধারণা জোরালো হচ্ছে। তদন্তের দায়িত্বে থাকা সংস্থাগুলো এখনই চূড়ান্ত কিছু বলছে না। তদন্ত শেষ হলে প্রতিবেদনেই তারা অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং ভবিষ্যতের করণীয় সম্পর্কে চূড়ান্ত মতামত দেবেন। গত ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে চকবাজারের চুড়িহাট্টা মোড়ের ওই অগ্নিকাণ্ডের কারণ খুঁজতে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের আধা ডজন তদন্ত দল গত কয়েক দিন ধরে কাজ করছে। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিস, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বিস্ফোরক পরিদপ্তরের তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যে তাদের কাজ অনেকটা গুছিয়ে এনেছে।   তদন্ত সংশ্লিষ্ট অনেকেরই ধা
রুহি দাশ এখন মস্ত বড় ডাক্তার !

রুহি দাশ এখন মস্ত বড় ডাক্তার !

আজিজ আজহার/ সাদমান সময়::: রুহি দাশ এখন মস্ত বড় ডাক্তার! প্রাতিষ্ঠানিক কোন ডিগ্রি না থাকলেও সাদা কাগজে দুর্বোধ্য স্বাক্ষর দিয়ে দেন ব্যবস্থা পত্র। ওই ব্যবস্থা পত্রে থাকে না চিকিৎসকের নাম ডিগ্রি কিংবা ঠিকানা। তিনি প্রতিজন রোগী থেকে ফি হিসেবে নেন একশ থেকে তিনশ টাকা। রুহি দাশের চেম্বার মিরসরাই পৌর বাজারের মাস্টার মেডিক্যাল ফার্মেসী। কে এই রুহি দাশ, কী করে তিনি বনে গেলেন ডাক্তার! মিরসরাইনিউজ এর অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে আসল ঘটনা। জানা যায়, রুহি দাশ প্রকাশ এমডি রুহির বাড়ি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার মসজিদিয়া ইউনিয়নের উত্তর মসজিদিয়া গ্রামে। তিনি গ্রামের ক্ষিতিশ চন্দ্র দাশের পুত্র। স্থানীয় একটি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করার পর চট্টগ্রাম কন্টিনেন্টাল ইন্সটিটিউট অব মেডিক্যাল টেকনোলজি নামের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে এক বছর মেয়াদী প্যারামেডিক্যাল কোর্স সম্পন্ন করেন। এরপর মেডিক্যাল টেকনেশিয়ান হিসেবে চাক
ঈদের পরই দুর্নীতিবিরোধী অভিযান

ঈদের পরই দুর্নীতিবিরোধী অভিযান

গতমাসের মাঝামাঝি হঠাৎ করে মাদকবিরোধী অভিযানে নামে সরকার। কঠোর এ অভিযান এখনও চলছে। এরইমধ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধেও বড় ধরনের অভিযানে নামার পরিকল্পনার কথা শোনা যাচ্ছে। ঈদের পরই এ অভিযান শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অব্যাহত থাকবে খাদ্যে ভেজালবিরোধী অভিযানও। আগামী নির্বাচন পর্যন্ত জনগণের সাধুবাদ পেতে পারে এমন কাজকে প্রাধান্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে যেসব অপকর্মের কারণে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ও জনগণ উপকৃত হবে এমন পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। জনগণ যাতে সরকারকে আস্থায় নেয়, ভোট দেয় সেই চিন্তা থেকেই এ পরিকল্পনাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সূত্রমতে, জনগণের বাহবা নিতেই হঠাৎ করে মাদকবিরোধী অভিযানে নেমেছে সরকার। এখন দুর্নীতির বিরুদ্ধেও অভিযানে নামার কথা ভাবা হচ্ছে। ক্ষমতাসীনরা বলছে, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান যেমন বাহবা কুড়িয়েছে, তেমনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান
তিন অন্ধ কিশোরের গল্প

তিন অন্ধ কিশোরের গল্প

অনুসন্ধান ডেস্ক: ওদের তিন জনের চোখে আলো নেই। অথচ বাই সাইকেল চালনা, সুচারুভাবে বৈদ্যুতিক কাজ করা, অনেক উঁচু গাছগাছালিতে চষে বেড়ানো, খেতখামারের কাজ করা, মাইকিং করা যেন কোন ব্যাপারই না তাদের কাছে। কেউ জন্মগত কেউবা ভুল চিকিৎসায় হারিয়েছে চোখের আলো। তবুও ওরা বোঝা নয় পরিবার-সমাজের কাছে। মেজবা, হিরু ও মাসুদ নামের তিন যুবক আজ মিরসরাইয়ের বিস্ময়। ওদের নিয়ে নিজেদের গ্রামে যেমন কৌতুহলের শেষ নেই, তেমনি আছে বুকভরা গর্বও। সাইকেল চালনায় পারদর্শী হিরু : মুক্তিযোদ্ধা বাবার অভাবের ঘরে ছয় সন্তানের মধ্যে তৃতীয় ইসমাঈল হোসেন হিরু। ছয় বছর বয়সে হাম রোগে আক্রান্ত হলে কবিরাজের ভুল চিকিৎসায় দুই চোখের দৃষ্টি চিরকালের জন্য হারিয়ে যায়। অভাবের সংসারে হিরুর এমন পরিণতিতে ভেঙে পড়েন বাবা-মা। পঞ্চম শ্রেণির গ-ি আর পার হওয়া যায়নি। আস্তে আস্তে শুরু হয় জীবন গড়া। বিয়ে হয়, দাম্পত্য জীবনে হয়েছে দুটি সন্তান। স্ত্রী আয়শা বেগমও স্ব
error: Content is protected !!