মহাজনহাট ফজলুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০০০ ব্যাচের প্রীতি সম্মিলন

মহাজনহাট ফজলুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০০০ ব্যাচের প্রীতি সম্মিলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :::

মহাজনহাট ফজলুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০০০ ব্যাচের প্রীতি সম্মিলন অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার (১৬ আগস্ট) বিকাল ৩ টায় শান্তিনীড় কার্যালয়ে এই প্রীতি সম্মিলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে উক্ত ব্যাচের ৪৫ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

১৯৯৫ থেকে ২০০০ সাল। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণিতে ৪নং ধুম, ২নং হিঙ্গুলি এবং ৩নং জোরারগঞ্জ ইউনিয়নস্থ বিভিন্ন গ্রামের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে আবর্তিত ব্যাচ ২০০০। পড়ালেখা, খেলাধুলা ও আড্ডায় মেতে থাকা বন্ধুরা ২০০০ সালে এসএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর সময়ের আবর্তনে হারিয়ে যায়। জীবিকার তাগিদে কেউ দেশে চাকুরী, কেউ শিক্ষকতা, কেউ ব্যবসা অথবা কেউ প্রবাসে জীবনযাপন শুরু করে। অনেকের সাথে যোগাযোগ বিছিন্ন। এভাবে চলে যায় প্রায় ১৯টি বছর। সম্প্রতি ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ঈসমাইল হোসেন খোকনের উদ্যোগে স্কুল জীবনের পুরোনো বন্ধুদের নিয়ে ঈদ পুনর্মিলনীর পরিকল্পনা হয়। এরপর সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে একে অপরকে জানা,খোঁজা শুরু। অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান।

২০০০ ব্যাচের শিক্ষার্থী ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন সোহেলের উপস্থাপনায় বন্ধু-বান্ধবীরা স্কুল জীবনে ঘটে যাওয়া নানাবিধ ঘটনার স্মৃতিচারণ করে আড্ডা মাতিয়ে রাখেন। কেউবা গান, কেউবা কৌতুক আবার কেউবা কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে উপভোগ্য করে তুলেন ঈদ পুনর্মিলনী ও আড্ডা।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, নুর-এ মোরশেদ রাসেল, ইসমাঈল হোসেন খোকন, জিয়া উদ্দিন, গোলাম জাকারিয়া, রাজিয়া সুলতানা, উম্মে সালমা, অশোক কুমার নাথ, শাহ আলম, আনোয়ার হোসেন, স্নিগ্ধা ঘোষ, কামরুজ্জামান ভূঞা, জামাল উদ্দিন, সাইফুল ইসলাম, রিপন চন্দ্র শর্ম্মা, আবু হাসান টিপু, আবু কায়ছার রাশেদ, ওমর ফারুক জনি, মমতাজ সুলতানা, শুকদেব ঘোর্সাম্মী, মেহেদী হাসান, সাইফুল ইসলাম হাজারী, তানিয়া আক্তার, গিয়াস উদ্দিন, দেবব্রত দাশ, আনোয়ার হোসেন রুবেল, শাহজাহান, সাবিনা ইয়াছমিন চাঁপা, আবদুল আউয়াল, সুজন, রোকেয়া, রাজীব নাথ, শ্যামল নাথ, রনি কুমার ঘোর্সাম্মী, আমির হোসেন, রোজিনা আক্তার প্রমুখ।

এছাড়া প্রবাস ও দূর থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দেন সফিউল আলম ওপেল, মর্জিনা আক্তার, রাশেদ আলী, দানিউল ইসলাম জুয়েল, মুরাদ মিয়াজী, টিটু কুমার দে, জহির উদ্দিন, সাইফুল ইসলাম, উজ্জ্বল কুমার, শিউলী, নয়ন কুমার নাথ, রাশেদ চৌধুরী সম্রাট প্রমুখ।

আয়োজকরা জানান, ঘুটি কয়েক ছেলে বন্ধু ছাড়া ইতিমধ্যে সবাই বিবাহিত। অনেকেই ১, ২ আবার অনেকে ৩ সন্তানের জনক অথবা জননী। দীর্ঘ প্রায় ১৯ বছরের দূরত্বে কেউ আর আগের মত চেহারায় নেই। তাই প্রথম দেখাতে একে অপরকে চিনতে কষ্ট হচ্ছিল। অবশেষে পরিচিতি পর্বের মাধ্যমে সবার মনে কল্পনা করা বন্ধুটির পরিচয় নিশ্চিত হয়।

পরিশেষে, দীর্ঘদিন পরে খুঁজে পাওয়া বন্ধুদের পরিবার পরিজন নিয়ে ডিসেম্বরে একটি পুনর্মিলনীর সিদ্ধান্ত নিয়ে শেষ হয় প্রীতি সম্মিলন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!