প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপবৃত্তি প্রদানে সাধারণ জনগণের জ্ঞাতব্য বিষয় সমূহ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপবৃত্তি প্রদানে সাধারণ জনগণের জ্ঞাতব্য বিষয় সমূহ

গোলাম রহমান চৌধুরী, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মিরসরাই :::

প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রদান প্রকল্প দেশব্যাপী প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের ছাত্র-ছাত্রীদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের এক ইতিবাচক এবং যুগান্তকারী কর্মসূচি। প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প (২য় পর্যায়) ‘দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সন্তানদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংযুক্ত প্রাথমিক স্তরে ছাত্রছাত্রীর ভর্তির হার বৃদ্ধি, উপস্থিতি বৃদ্ধি ঝরে পড়ার হার রোধকরণ, শিক্ষা চক্রের সমাপ্তির হার বৃদ্ধিকরণ, শিশুশ্রম রোধ ও দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিতকরণ এবং প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। এ প্রকল্পের আওতায় দেশের সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা সহ সকল ইউনিয়নের প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংযুক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় সমূহের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর দারিদ্র মানচিত্র অনুযায়ী ভর্তিকৃত ছাত্রছাত্রীর মধ্য হতে অনুমোদিত ও সংশোধিত প্রকল্প দলিলে প্রদত্ত সংস্থান মোতাবেক দরিদ্র ছাত্রছাত্রীকে উপবৃত্তি প্রদান করা হবে। উপবৃত্তি প্রকল্প সুষ্ঠু ভাবে বাস্তবায়ন ও সমন্বয়ের জন্য সকল ব্যাংক, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বিভাগীয় উপ-পরিচালক (প্রাথমিক শিক্ষা), জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার, উপবৃত্তি মনিটরিং অফিসার, প্রধান শিক্ষক এবং স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটিকে নিমোক্ত নির্দেশাবলী যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

১। প্রকল্প এলাকা ও প্রকল্পভুক্ত প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ প্রকল্প এলাকা বলতে সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা সহ দেশের সমগ্র এলাকা ও শহরের কর্মজীবি শিশুদের জন্য ৭৯ টি শিশু কণ্যাণ ট্রাষ্ট পরিচালিত বিদ্যালয় এ প্রকল্পের আওতাভুক্ত। প্রকল্পভুক্তির জন্য যোগ্য প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলতে নি¤েœাক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ বুঝাবে
ক) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়;
খ) রেজিষ্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়;
গ) কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যারয়;
ঘ) অস্থায়ী রেজিষ্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়;
ঙ) সরকারি অনুদানে এন,জি,ও কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত প্রাথমিক বিদ্যালয়;
চ) সরকার কর্তৃক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা;
ছ) মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংযুক্ত প্রাথমিক স্তর এবং
জ) শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালিত প্রাথমিক বিদ্যালয়।

উপবৃত্তি প্রাপ্তির শর্তাবলী :
তালিকাভুক্ত ছাত্র-ছাত্রীকে মাসে যুক্তিসংগত কারণ ব্যতীত কমপক্ষে ৮৫% পাঠদিবসে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে হবে। অন্যথায় ঐ মাসে ঐসব ছাত্র-ছাত্রী উপবৃত্তি পাবে না (যুক্তি সংগত কারণ প্রধান শিক্ষক নির্ধারণ করবেন) । তবে পাহাড়ী এলাকায় শিক্ষার্থী এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ৭৫% এবং আকস্মিক কোন দুর্যোগের কারণে দেশের কোন এলাকার শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসা অসম্ভব হয়ে পড়লে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার অনুমোদনক্রমে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি কম হেেলও উপবৃত্তি প্রদান করা যাবে। তালিকাভুক্ত (১ম শ্রেণি ব্যতীত) সকল শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীকে বার্ষিক পরীক্ষায় ৩৩% নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। বার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলে উপবৃত্তি পাওয়ার জন্য বিবেচিত হবে না। তালিকাভুক্ত প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে শ্রেণি অনুযায়ী নির্ধারিত পরীক্ষাসমূহ সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করতে হবে। কোন বিদ্যালয় তা করতে ব্যর্থ হলে স্কুল কন্টিনজেন্সি বন্ধ, উপবৃত্তি স্থগিতসহ অন্যান্য বিধিগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। সুবিধাভোগী যে সব ছাত্র-ছাত্রী যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যতীত বিদ্যালয়ের নির্ধারিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে না তাদের পরবর্তী পরীক্ষা পর্যন্ত উপবৃত্তি স্থগিত রাখা হবে। কোন অনুকূল আবহাওয়ার দিনে পরিদর্শন কালে মোট ছাত্রছাত্রীর ৬০% এর কম উপস্থিতি দেখা গেলে উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারি শিক্ষক, সহকারি উপজেলা জেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার উপস্থিতি বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন। পরবর্তী মাসে উপস্থিতি বৃদ্ধি না পেলে বিদ্যালয়ের উপবৃত্তি স্থগিত করণসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উপবৃত্তির মাসিক হার :

নির্বাচিত ছাত্র-ছাত্রীর মাতা তার অনুপস্থিতিতে পিতা এবং উভয়ের অনুপস্থিতিতে বৈধ অভিভাবক রুপালী ব্যাংকের শিওরক্যাশে অ্যাকাউন্ট খুলবেন এবং মোবাইল নম্বর ও জাতীয় পরিপত্রের তথ্যাদি প্রদান পূর্বক মোবাইলের মাধ্যমে উপবৃত্তির অর্থ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করার নিমিত্তে অধিদপ্তরে চাহিদা প্রেরণপূর্বক সকলে উপবৃত্তির অর্থ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

প্রকল্প বাস্তাবায়নে তদারককারী এবং বাস্তবায়কারী কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যঃ
প্রধান শিক্ষক :
প্রধান শিক্ষক অন্যান্য শিক্ষকদের সহযোগিতায় ছাত্রছাত্রীদের ভর্তি রেজিষ্টার, হাজিরা রেজিষ্টার, পরীক্ষার ফলাফল রেজিষ্টার ও অন্যান্য রেজিষ্টার সব সময় হালনাগাদ করে রাখবেন এবং পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর সহ উত্তরপত্র ন্যূনতম এক বছর বিদ্যালয়ে সংরক্ষণ করবেন। উপবৃত্তি প্রাপ্তযোগ্য ছাত্র-ছাত্রীদের তালিকা প্রণয়নে স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটিকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন। উপবৃত্তি প্রাপ্তি যোগ্য ছাত্রছাত্রীদের তালিকা নির্ধারিত ছক পূরণপূর্বক রেজিষ্টারে লিপিবদ্ধ রাখবে। উপবৃত্তি সুবিধাভোগীদের অনুমোদিত তালিকায় পিতা/অভিভাবকের পেশা বাধ্যতামূলক ভাবে উল্লেখ করতে হবে। উপবৃত্তি প্রাপ্তির যোগ্য ছাত্রছাত্রীদের তালিকা চুড়ান্তকরণে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে সাহায্য করবেন এবং চূড়ান্ত তালিকার এক কপি উপজেলা শিক্ষা অফিসে প্রেরণ করবেন। প্রতি মাসের জন্য নির্ধারিত কর্ম দিবসের চেয়ে কম উপস্থিতি এবং বার্ষিক পরীক্ষায় নির্ধারিত নম্বরের চেয়ে কম নম্বর পেলে উপবৃত্তি পাবে না। সে বিষয়ে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের সর্তক করে দেবেন। প্রয়োজনে হোম ভিজিট জোরদার করে উপস্থিতি নিশ্চত করবেন। কম নম্বর পেলে তার জন্য আলাদা কোচিং এর ব্যবস্থা নিবেন। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ হতে কোন তথ্য ও বিবরণী চাওয়া হলে তা দ্রæততার সঙ্গে প্রেরণ করবেন। উপবৃত্তি প্রাপ্তি যোগ্য ছাত্রছাত্রীর তালিকা প্রণয়নের সময় সতর্ক থাকতে হবে যেন নির্ধারিত মানদন্ড অনুযায়ী দরিদ্র পরিবারের সন্তানদের নাম ব্যতীত অন্য কোন ছাত্র-ছাত্রী বা ভূয়া নামে যেন তালিকা ভূক্ত না হয়। ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কোন ত্রæটির কারণে বিদ্যালয়ের উপবৃত্তি বন্ধ হলে প্রধান শিক্ষক দায়ী হবেন এবং প্রতিষ্ঠানের কন্টিনজেন্সি বন্ধ সহ বিধিগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটির দায়িত্ব কর্তব্যঃ
স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ সকল শিক্ষকের সহযোগিতায় নির্ধারিত মানদন্ড অনুযায়ী নিরপেক্ষভাবে পরিবার চিহ্নিত করে উপবৃত্তি প্রাপ্তি যোগ্য ছাত্রছাত্রীদের তালিকা প্রণয়ন করবে। বিদ্যালয় পর্যায়ে উপবৃত্তি কর্মসূচি ব্যবস্থাপনায় ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্যকে সম্পৃক্ত করতে হবে। তালিকা প্রণয়ন করে তাতে এসএমসি সভাপতি ও সম্পাদক স্বাক্ষর করবেন এবং প্রস্তুতকৃত তালিকা উপজেলা শিক্ষাঅফিসে প্রেরণ করবে। উপবৃত্তি প্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীরা যাতে বিদ্যালয়ে প্রতি মাসে পাঠ দিবসের শতকরা ৮৫দিনে উপস্থিত থাকে এবং বার্ষিক পরীক্ষায় ৩৩% নম্বর অর্জন করে সেজন্য ছাত্রছাত্রী এবং তাদের অভিভাবকদের উৎসাহিত ও সতর্ক করবে। দারিদ্র পরিবার ব্যতীত অন্য পরিবারের সন্তানদের যাতে উপবৃত্তির তালিকাভুক্ত করা না হয় এবং ভূয়া নাম তালিকাভুক্ত না হয় সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখবে। তালিকা প্রণয়নের সময় এসএমসি বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখবে যাতে একাধিক সন্তান বিশিষ্ট পরিবার যৌথ কার্ডের আওতাভুক্ত হয়। কোন অবস্থাতেই যেন একাধিক সন্তান বিশিষ্ট পরিবারের সন্তানরা ভিন্ন ভিন্ন অভিভাবকের সন্তানরূপে উপবৃত্তির সুবিধা ভোগী হিসাবে নির্বাচিত না হয়। পক্ষপাতিত্বের কারণে প্রকৃত দরিদ্র ছাত্রছাত্রী যেন তালিকাভুক্তি হতে বাদ না যায় সে দিকে সর্তক দৃষিট রাখবে।এসএমসি উপজেলা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক জ্ঞাত হয়ে উপবৃত্তি স্থগিত/বাতিলকৃত সুবিধাভোগী অভিভাবকগণকে উপবৃত্তির অর্থ বিতরণের পূর্বেই বিষয়টি অবহিত করবে। উপবৃত্তি প্রাপ্তির শর্তাবলী অনুযায়ী যথাযথভাবে সুবিধাভোগী বাছাই করা না হলে এবং উপবৃত্তি সংক্রান্ত কোন অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে এসএমসি এর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনয়ন পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করা হবে। সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসারের দায়িত্ব কর্তব্য- স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটি কর্তৃক প্রণীত উপবৃত্তি প্রাপ্তির জন্য দরিদ্র পরিবারের ছাত্র-ছাত্রীদের তালিকা সরজমিনে যাচাই করবেন। উক্ত তালিকা যাচাইকালে তিনি লক্ষ্য রাখবেন যাতে একজন ছাত্র-ছাত্রী একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি না হয়।বিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট কমিটি, অভিভাবক ও শিক্ষকদরে সঙ্গে মিলিত হবেন এবং প্রকল্পটির গুরুত্ব সম্পর্কে তাদেরকে অবহিত করবেন। তাছাড়া বিদ্যালয় এলাকার সকল ছাত্রছাত্রীর বিদ্যালয়ে ভর্তি ও উপস্থিতি বৃদ্ধির জন্য উৎসাহিত করবেন। প্রকল্পের আওতায় উপবৃত্তি প্রাপ্তির এবং উপবৃত্তি স্থগিতকরণ ও বাতিল হবার শর্তাবলী ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটির নিকট বিশদভাবে বুঝিয়ে বলবেন এবং সতর্ক করবেন।

সহকারি উপজেলা কর্মকর্তার দায়িত্বঃ
সহকারি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা তার নিয়ন্ত্রণাধীন ক্লাস্টারের উপবৃত্তি প্রদানের বিল প্রস্তুত করে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার নিকট অনুমোদনের জন্য জমা দিবেন। বিল প্রস্তুতের জন্য প্রাপ্যতা তালিকার ২ কপি প্রস্তুত করতে হবে। এক কপি উপজেলা শিক্ষা অফিসে সংরক্ষণ করতে হবে এবং অন্য কপি বিলের কপির সাথে স্থানীয় ব্যাংকে প্রদান করতে হবে। ক্লাস্টারের কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতি কম বা অন্য কোন কারণে উপবৃত্তি বন্ধ হলে তার আনুষাঙ্গিক স্থগিতসহ তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে। উপবৃত্তি বিতরণকালে সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার যত বেশী সংখ্যক সম্ভব উপবৃত্তি বিতরণ কেন্দ্রে উপস্থিত থেকে সুষ্ঠ বিতরণ নিশ্চিত করবেন।

উপজেলা শিক্ষা অফিসারের দায়িত্বঃ
স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটি কর্তৃক প্রণীত এবং সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কর্তৃক যাচাইকৃত উপবৃত্তি প্রাপ্তির জন্য দরিদ্র পরিবারের তালিকা অনুমোদন করবেন। তিনি একটি তালিকা প্রতিস্বাক্ষরের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট প্রেরণ করবেন এবং আরেকটি তালিকা সংরক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে প্রেরণ করবেন। বিদ্যালয় ভিত্তিক উপবৃত্তি প্রাপ্য ছাত্রছাত্রীদের চুড়ান্ত অনুমোদিত তালিকা শ্রেণীওয়ারি সংখ্যা প্রকল্প দপ্তরে প্রেরণ করবেন। বিদ্যালয় ভিত্তিক সুবিধাভোগীদের সংখ্যা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, বিভাগীয় উপ-পরিচালক এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রেরন করবেন। এর জন্য প্রকল্প দপ্তরের ছক সরবরাহ করবে। বিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট কমিটি অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে মিলিত হবেন এবং প্রকল্পটির গুরুত্ব সম্পর্কে তাঁদেরকে অবহিত করবেন। তাছাড়া বিদ্যালয় এলাকায় সকল ছাত্র-ছাত্রীর বিদ্যালয়ে ভর্তি ও উপস্থিতি বৃদ্ধির জন্যও তাঁদের উৎসাহিত করবেন। প্রকল্পের আওতায় উপবৃত্তি প্রাপ্তির এবং উপবৃত্তি স্তগিতকরণ ও বাতিল হবার শর্তাবলী ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক অভিভাবক ও স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটির নিকট বিশদভাবে বুঝিয়ে বলবেন এবং সতর্ক করবেন। কোন সুবিধাভোগী বিদ্যালয় উপবৃত্তির শর্তাবলী যথাযথ পালন না করলে উপবৃত্তির সুযোগ সুবিধা বাতিলের অথবা উপবৃত্তি পাচ্ছে না এমন কোন বিদ্যালয় উপবৃত্তি প্রাপ্তির শর্তাবলী পূরণ করলে উপবৃত্তি প্রদানের জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারে মাধ্যমে প্রকল্প দপ্তরে প্রতিবেদন প্রেরণ করবেন। কোন বিদ্যালয়কে উপবৃত্তি স্থগিতকরণ বা প্রদানের ব্যাপারে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রকল্প দপ্তর গ্রহণ করবে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার উপবৃত্তি স্থগিতকৃত / বাতিলকৃত সুবিধাভোগী অভিভাবকগণকে সংশ্লিষ্ট এসএমসি এর মাধ্যমে উপবৃত্তির অর্থ বিতরণের পূর্বেই বিষয়টি অবহিত করবেন। উপজেলা শিক্ষা অফিসার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটিতে উপবৃত্তি বিতরণের বিষয়টি পর্যালোচনা ও সুষ্ঠু বিতরণ নিশ্চত করতে শিক্ষা কমিটির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন। সেই সাথে উপবৃত্তি বিতরণকালে তিনি নিজে এবং তার অধীনস্ত দায়িত্বশীল কর্মকর্তার মাধ্যমে উপবৃত্তির সুষ্ঠ বিতরণ নিশ্চিত করবেন। প্রধান শিক্ষক ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক যথাযথ দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করবেন।

ইউআরসি ইন্সট্রাক্টরঃ
উপজেলা রিসোর্স সেন্টারে আয়োজিত প্রতিটি প্রশিক্ষণে (৫/৭ দিনের জন্য) উপবৃত্তি বিতরণ সংক্রান্ত আলোচনা করার জন্য কমপক্ষে ৩০মিনিটের একটি সেশনের ব্যবস্থা করবেন।
উপবৃত্তি মনিটরিং অফিসারঃ
উপবৃত্তি মনিটরিং অফিসার সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা অফিসারগণের সাথে যোগাযোগ করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ব্যবস্থাপকের সাথে আলোচনা পূর্বক উপবৃত্তি বিতরণের দিন তারিখ ইত্যাদি ধার্য করবেন এবং এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসারগণকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করবেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে উপবৃত্তি বিতরণ কাজ সুষ্ঠুভাবে সমাধা করার জন্য সর্বাত্মক সহায়তা করবেন। প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রনীত নীতিমালা মাঠ পর্যায়ে সঠিক ভাবে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।প্রতিটি শিক্ষা বছরের শুরুতে এসএমসি কর্তৃক প্রণীত সুবিধাভোগীদের তালিকা পরিদর্শন, যাচাইকরণ, এবং প্রয়োজনবোধে সংশোধনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। সুবিধাভোগী পরিবারের কার্ড যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে কিনা তা যাচাই করবেন। প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্পভুক্ত বিদ্যালয়সমূহে নির্ধারিত ছকে সমুদয় তথ্যাদি সংরক্ষণ করা হচ্ছে কিনা তা তদারকী করবেন। প্রতি মাসে নির্ধারিত ছকে জেলাভিত্তিক তথ্যাদি পরবর্তী মাসের ১০ তারিখে মধ্যে প্রকল্প অফিসে প্রেরণ করবেন। প্রতি মাসে প্রতিটি উপজেলার কমপক্ষে ১বার এবং ন্যূনতম ৩০টি বিদ্যালয়/মাদ্রাসা পরিদর্শনপূর্বক নির্দিষ্ট ছকে সরাসরি প্রকল্প দপ্তরে প্রতিবেদন প্রেরণ করবেন। কোন বিদ্যালয় উপবৃত্তি প্রাপ্তির শর্ত লংঘন করলে প্রতিবেদনের মতামতসহ উল্লেখ করবেন। প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প বাস্তাবায়নে মাঠ পর্যায়ে উদ্ভুত বিভিন্ন সমস্যা, প্রকল্প অফিসকে অবহিত করবেন। অনুপযোগী বিদ্যালয়কে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়ে থাকলে এরূপ বিদ্যালয় সম্পর্কে প্রকল্প অফিসে তথ্য প্রদান করবেন। প্রকল্প অফিস হতে প্রেরিত বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে সরজমিনে তদন্ত কার্য সম্পাদন করবেন। উর্ধŸতন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে প্রদত্ত দায়িত্ব সম্পাদন করবেন। দায়িত্ব পালনে অবহেলা প্রমাণিত হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোন বিদ্যালয় উপবৃত্তি প্রাপ্তির শর্তাবলী পূরণ করলে উপবৃত্তি প্রদানের জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে প্রকল্প দপ্তরে প্রতিবেদন প্রেরণ করবেন।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারঃ
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারবৃন্দ সংশ্লিষ্ট জেলার উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার এর মাধ্যমে উপবৃত্তির অর্থ সুষ্ঠু বিতরণ নিশ্চিত করবেন এবং উপবৃত্তি বিতরণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন। তিনি প্রতিমাসে প্রকল্পভুক্ত বিদ্যালয় পরিদর্শন করবেন এবং পরিদর্শন প্রতিবেদন প্রকল্প কার্যালয়ে প্রেরন করবেন। প্রকল্প বাস্তবায়নে উপবৃত্তি মনিটরিং অফিসার, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের যাবতীয় কার্যক্রম তদারক ও মনিটর করবেন। প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতির উপজেলা ভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকল্প দপ্তর বিভাগীয় উপ-পরিচালক এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রেরণ করবেন। প্রকল্প বাস্তবায়নে তিনি উপজেলা রিসোর্স সেন্টার সমূহে আয়োজিত প্রতিটি প্রশিক্ষণে উপবৃত্তি বিতরণ সংক্রান্ত আলোচনা করার জন্য কমপক্ষে ৩০ মিনিটের জন্য একটি সেশন রাখার বিষয়টি উপজেলা ইন্সট্রাক্টর এর মাধ্যমে নিশ্চিত করবেন। প্রকল্প অফিস থেকে প্রেরিত বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত কার্য সম্পদানসহ বিভিন্ন সময়ে প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করবেন। মাসিক সমন্বয় সভার উপবৃত্তি কার্যসূচির বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন এবং সমন্বয় সভার কার্যবিবরণীর অনুলিপি আবশ্যিকভাবে প্রকল্প দপ্তরে প্রেরণ করবেন। মনিটরিং অফিসার এর দায়িত্ব পালনকালে যথাযথ নির্দেশনা ও সহযোগিতা প্রদান করবেন এবং উপবৃত্তি সংক্রান্ত যে কোন উদ্ভুত সমস্যা সমাধান করবেন। মনিটরিং অফিসারগণের এসিআর লিখবেন এবং প্রকল্প পরিচালক বরাবর প্রেরণ করবেন।
বিভাগীয় উপ-পরিচালকঃ
বিভাগীয় উপ-পরিচালকগণ প্রতিমাসে উপবৃত্তি প্রকল্প ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করবেন এবং পরিদর্শন প্রতিবেদন প্রকল্প দপ্তরে প্রেরণ করবেন। বিভাগীয় উপ-পরিচালকগণ প্রকল্প বাস্তবায়নে উপবৃত্তি মনিটরিং অফিসার, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারগণের যাবতীয় কার্যক্রম তদারক ও মনিটর করবেন। প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতির জেলা ভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকল্প দপ্তর এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রেরণ করবেন। উপবৃত্তি কর্মসূচি বাস্তবায়ন প্রত্যক্ষ করার জন্য নিয়মিত প্রকল্পভুক্ত বিদ্যালয় পরিদর্শন ও বিতরণকালে বিতরণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন এবং গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয় নজরে এলে তা প্রকল্প অফিসকে অবহিত করবেন। পরিদর্শন প্রতিবেদন প্রকল্প দপ্তরে প্রেরন করবেন। দ্বি-মাসিক সমন্বয় সভায় উপবৃত্তি কর্মসুচির বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন এবং উক্ত সমন্বয় সভার কার্যবিবরণীর অনুলিপি প্রকল্প দপ্তরে আবশ্যিক ভাবে প্রেরণ করবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারঃ
বছরের শুরুতে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কর্তৃক অনুমোদিত তালিকা বিদ্যালয় ওয়ারী ও শ্রেণী ওয়ারী তথ্য নির্ধারিত ছকে প্রতিস্বাক্ষর করে প্রকল্প দপ্তরে প্রেরণ নিশ্চিত করবেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপজেলার উপবৃত্তি বিতরণ কাজ তত্ত¡াবধান ও সুষ্ঠু বিতরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এবং সেই সাথে মাঠ পর্যায়ে উপবৃত্তির বিষয়টি নিয়মিত পরিদর্শন করবেন। উপবৃত্তি প্রদান বিল, চাহিদা এবং উপবৃত্তি বিতরণের চূড়ান্ত হিসাব বিবরণী নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা হিসেবে স্বাক্ষর ও অনুমোদন করবেন। প্রকল্প অফিস হতে প্রশিক্ষণ ও সেমিনার বাবদ অর্থ বরাদ্দ প্রাপ্তির পর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির সভাপতিকে অবহিত করে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও মনিটরিং অফিসার এর সাথে আলোচনা করে সেমিনার আয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। সেমিনারে উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভাপতি ও সদস্যগণের উপস্থিতির পদক্ষেপ নিবেন। সেমিনার শেষে সুপারিশমালা ও হিসাব সমন্বয়ের ভাউচারপত্র প্রকল্প দপ্তরে প্রেরণ নিশ্চিত করবেন।

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানঃ
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির সভাপতি হিসেবে উপজেলায় উপবৃত্তির অর্থ বিতরণ কার্যক্রম সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন হতে পরিপত্র অনুসরণে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দিবেন এবং কার্যক্রম গ্রহণ করবেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির সভায় উপবৃত্তি বিতরণ সম্পর্কিত বিষয়ে আলোচনা করবেন এবং বিতরণ কেন্দ্রে উপস্থিত থাকার জন্য শিক্ষা কমিটির সদস্যগণকে ট্যাগ অফিসার হিসাবে নিয়োগ করবেন। উপজেলা পরিষদের আওতাধীন কর্মকর্তা, স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটি ও স্কুল শিক্ষকগণের এ সম্পর্কিত কার্যক্রমে অনিয়ম হলে তা দূর করার স্বার্থে প্রকল্প কার্যালয়কে অবহিত করবেন।
জেলা প্রশাসকঃ
জেলা প্রশাসক বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির সভাপতি হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহে উপবৃত্তি বিতরণ কর্মসূচির বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবেন। বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির প্রতি সভায় বিষয়টি আলোচনা করবেন এবং প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করবেন। উপবৃত্তি বিতরণ কর্মসূচির বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবেন এবং বিতরণ চলাকালে বিতরণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষনের পদক্ষেপ নিবেন। মাঠ পর্যায়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনকালে উপবৃত্তি সংক্রান্ত বিষয়টি মনিটর করবেন।
প্রকল্প দপ্তরঃ
এই নীতিমালা প্রকল্প ভুক্ত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌছানো নিশ্চিত করনেব। উপবৃত্তি কার্যক্রমের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও বাস্তবায়ন করবেন।
সতর্কতা /সাবধানতাঃ
প্রকল্পটি বাংলাদেশ সরকারের শকতরা ১০০ ভাগ অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে। বরাদ্দকৃত অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। নিরপেক্ষভাবে নির্ধারিত মানদন্ড অনুযায়ী প্রকৃত দরিদ্র পরিবারের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে উপবৃত্তি প্রাপ্তির জন্য তালিকাভুক্ত করতে হবে। প্রধান শিক্ষক স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাকে দাযিত্ব পালনে সৎ একনিষ্ঠ এবং আন্তরিক হতে হবে।
সুপারিশঃ
অভিজ্ঞজন মনে করেন যে, বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্ব ব্যাংকের মানদন্ড অনুযায়ী নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ। তাই এই উপবৃত্তি প্রাপ্য হিসাবে প্রাথমিক স্তরে অধ্যয়নরত সকল শিক্ষার্থীকে বিবেচনা করা যেতে পারে।
তথ্য সূত্র-উপবৃত্তি বিতরণ সংক্রান্ত নির্দেশাবলী-২০১৮ (সর্বশেষ সংশোধনীসহ)।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!